বিড়াল বিড়ম্বনা
এই মাত্র বায়গ্রাফিয়া লিটারেরিয়া থেকে লাফিয়ে পড়লো মার্জার। বুকসেল্ফে লুকুচ্ছে সন্ত্রস্ত্র জলডোরা। ইঁদুরের খাদ্য চিন্তা; মগজের ধার ও ভার হ্রাস পাচ্ছে দিনকে দিন। মনিরের শরীরে পুড়ে যাচ্ছে কয়লা, একুশ শতকীয় আদিমতা। নদী ডুবে যাচ্ছে শিশুর ভীতির সাঁতারে। আর আমরা রোদ চশমার আড়ালে বাইন মাছকে বলছি মানচিত্র। উত্তরের বিকেল ভর্তি মুখোশ, মৃত্যুর সঙ্গীতমালা, আর বিক্ষিপ্ত সারগম। বিটোফেন নিঃশেষিত- পুড়ে যাচ্ছে তার স্ত্রীর সম্ভ্রম। মায়াকোভস্কির আত্মহত্যার মীমাংসা টানতে গিয়ে গলদঘর্ম চেরাগীর মোড়। বুটের তলায় থেত্লে যাচ্ছে কুচকাওয়াজ। চুলের সঙ্গে কেটে যাচ্ছে কাঁচি। বাল্মীকির কাব্যের ভেতর লুকিয়ে আছে দাঁতাল নখ। ব্লাক আর্টের শৈল্পিক বিস্তার E=mc2। পটকার আড়ালে জুতরা ছুটছে দিকবিদিক। মিছিলের টংকারে হারিয়ে যাচ্ছে জনতার দাবি। ব্যাঙের ছাতার থেকে বেরিয়ে আসেন সতেরর রবীন্দ্রনাথ। -জিজ্ঞাশাহীন জানি তিনিই পুরুষোত্তম লাশের উপর নগ্ন নৃত্যের নাম সেকুলারিজম। সম্মিলিত পিঁপড়ের বাগান- দণ্ডায়মান দুটি পা- দিনের আলোয় শুকতারা দেখাবার আহ্বান করে। বিশ বছর অতীত থেকে শিরিন। ভোটের বাক্সের পবিত্রতা রক্ষায় জলপাই তেলে মাছ ভাজেন আর জিভ চাটেন গান্ধীর অহিংস মার্জার আর বাঙলার বিড়াল।
রক্তবীজে ভরে যাক সংসার
আঙুলে পোড়ে নৌকার পাল, সংঘ নিজেই করে তার বন্দনা
বেদনার কাল স্বয়ং চৈতন্যহীন; হোক কাঙ্ক্ষিত মৃত্যু, চাই তমিস্রার পাপের দুর্দৈব সুরাহা; সিনা ভেদ
করে চলে গেলো অভিনিবেশের মন্ত্রনা
আর সকলের হয়; আমাদের বিনাশে বাড়ে না রক্তবীজ! নদী চলে গেছে বিবাহের উত্সবে, গঙ্গার
জটা নামে না বঙ্গে
ধ্যানের মর্ম বোঝে নি
দেবতারা কেবল আত্মোপকার, স্বার্থের দেনা
প্রতিটি দেয়ালে লেগে আছে রক্তের দাগ, গোপন ফিসফাস
তর্পন করি, রক্তবীজে ভরে যাক সংসার, ভরুক। - এই ছাড়া উপায় কী?
আমার প্রেমিকার দাঁতে লেগে আছে রক্ত, কিন্তু তিনি কালী নন।
বিজ্ঞাপন, যদিও কেউ কোনো অর্থ দেবে না
অভিযোগ ছাড়া কোনো ভাষ্য নাই।
-- এই কথা বললে আপনার সম্মুখে বসা নারী চলে যাবে অন্য পুরুষের
প্রেমিকার উদাহরণ হয়ে।
আপনি তখন ভাবতে বসবেন এতোটা কাল কার সঙ্গে হেঁটে এসেছেন?
দূরে শোনা যাবে কারো চিত্কার, পাশ দিয়ে চলে যাবে অপিরিচিত কেউ,
টুপ করে হয়তো আপনার জামায় হাগু করে দেবে কাক।
এই সমাজে- হয়তো চিরকাল ই- মানুষে মানুষে সম্পর্কগুলো আর্থনীতিক।
ভিক্ষুকের সঙ্গে আপনার কি সম্পর্ক? এই কথা হয়তো সচেতন ভাবে
দেখেন নি কোনো দিন, কেননা সে আপনার ভাবনায় ছিলো না।
অভিযোগ কোনো সমাধান নয়; -- কার্যকারণে সমাধান খুঁজে গেছেন
বিজ্ঞানী ও দার্শনিক, এতেও তেমন কোনো ফল আসে নি।
বাড়ি গিয়ে নিজেকেই কিন্তু গায়ের শার্টটা ধুতে হবে, আপাতত
একটা সার্ফএক্সেল কিনে নিন।
বিজ্ঞপ্তি
একপাটি চটির সঙ্গে হারিয়ে গেছে ডান চোখ। খোঁজ পেলে জানাবেন।
বিপরীত কামশাস্ত্র
ভরাপেটে মিলন হানিকর
- বলেছেন বাত্স্যায়ন।
একথা শুনে কলিমুদ্দিন কয়-
আমাগো ঘরে ভাত নাই
তাই
বউরে ঠাপাই।
হাড়জিরজিরে বউ আমার,
একান্ত আহার।
এই মাত্র বায়গ্রাফিয়া লিটারেরিয়া থেকে লাফিয়ে পড়লো মার্জার। বুকসেল্ফে লুকুচ্ছে সন্ত্রস্ত্র জলডোরা। ইঁদুরের খাদ্য চিন্তা; মগজের ধার ও ভার হ্রাস পাচ্ছে দিনকে দিন। মনিরের শরীরে পুড়ে যাচ্ছে কয়লা, একুশ শতকীয় আদিমতা। নদী ডুবে যাচ্ছে শিশুর ভীতির সাঁতারে। আর আমরা রোদ চশমার আড়ালে বাইন মাছকে বলছি মানচিত্র। উত্তরের বিকেল ভর্তি মুখোশ, মৃত্যুর সঙ্গীতমালা, আর বিক্ষিপ্ত সারগম। বিটোফেন নিঃশেষিত- পুড়ে যাচ্ছে তার স্ত্রীর সম্ভ্রম। মায়াকোভস্কির আত্মহত্যার মীমাংসা টানতে গিয়ে গলদঘর্ম চেরাগীর মোড়। বুটের তলায় থেত্লে যাচ্ছে কুচকাওয়াজ। চুলের সঙ্গে কেটে যাচ্ছে কাঁচি। বাল্মীকির কাব্যের ভেতর লুকিয়ে আছে দাঁতাল নখ। ব্লাক আর্টের শৈল্পিক বিস্তার E=mc2। পটকার আড়ালে জুতরা ছুটছে দিকবিদিক। মিছিলের টংকারে হারিয়ে যাচ্ছে জনতার দাবি। ব্যাঙের ছাতার থেকে বেরিয়ে আসেন সতেরর রবীন্দ্রনাথ। -জিজ্ঞাশাহীন জানি তিনিই পুরুষোত্তম লাশের উপর নগ্ন নৃত্যের নাম সেকুলারিজম। সম্মিলিত পিঁপড়ের বাগান- দণ্ডায়মান দুটি পা- দিনের আলোয় শুকতারা দেখাবার আহ্বান করে। বিশ বছর অতীত থেকে শিরিন। ভোটের বাক্সের পবিত্রতা রক্ষায় জলপাই তেলে মাছ ভাজেন আর জিভ চাটেন গান্ধীর অহিংস মার্জার আর বাঙলার বিড়াল।
রক্তবীজে ভরে যাক সংসার
আঙুলে পোড়ে নৌকার পাল, সংঘ নিজেই করে তার বন্দনা
বেদনার কাল স্বয়ং চৈতন্যহীন; হোক কাঙ্ক্ষিত মৃত্যু, চাই তমিস্রার পাপের দুর্দৈব সুরাহা; সিনা ভেদ
করে চলে গেলো অভিনিবেশের মন্ত্রনা
আর সকলের হয়; আমাদের বিনাশে বাড়ে না রক্তবীজ! নদী চলে গেছে বিবাহের উত্সবে, গঙ্গার
জটা নামে না বঙ্গে
ধ্যানের মর্ম বোঝে নি
দেবতারা কেবল আত্মোপকার, স্বার্থের দেনা
প্রতিটি দেয়ালে লেগে আছে রক্তের দাগ, গোপন ফিসফাস
তর্পন করি, রক্তবীজে ভরে যাক সংসার, ভরুক। - এই ছাড়া উপায় কী?
আমার প্রেমিকার দাঁতে লেগে আছে রক্ত, কিন্তু তিনি কালী নন।
বিজ্ঞাপন, যদিও কেউ কোনো অর্থ দেবে না
অভিযোগ ছাড়া কোনো ভাষ্য নাই।
-- এই কথা বললে আপনার সম্মুখে বসা নারী চলে যাবে অন্য পুরুষের
প্রেমিকার উদাহরণ হয়ে।
আপনি তখন ভাবতে বসবেন এতোটা কাল কার সঙ্গে হেঁটে এসেছেন?
দূরে শোনা যাবে কারো চিত্কার, পাশ দিয়ে চলে যাবে অপিরিচিত কেউ,
টুপ করে হয়তো আপনার জামায় হাগু করে দেবে কাক।
এই সমাজে- হয়তো চিরকাল ই- মানুষে মানুষে সম্পর্কগুলো আর্থনীতিক।
ভিক্ষুকের সঙ্গে আপনার কি সম্পর্ক? এই কথা হয়তো সচেতন ভাবে
দেখেন নি কোনো দিন, কেননা সে আপনার ভাবনায় ছিলো না।
অভিযোগ কোনো সমাধান নয়; -- কার্যকারণে সমাধান খুঁজে গেছেন
বিজ্ঞানী ও দার্শনিক, এতেও তেমন কোনো ফল আসে নি।
বাড়ি গিয়ে নিজেকেই কিন্তু গায়ের শার্টটা ধুতে হবে, আপাতত
একটা সার্ফএক্সেল কিনে নিন।
বিজ্ঞপ্তি
একপাটি চটির সঙ্গে হারিয়ে গেছে ডান চোখ। খোঁজ পেলে জানাবেন।
বিপরীত কামশাস্ত্র
ভরাপেটে মিলন হানিকর
- বলেছেন বাত্স্যায়ন।
একথা শুনে কলিমুদ্দিন কয়-
আমাগো ঘরে ভাত নাই
তাই
বউরে ঠাপাই।
হাড়জিরজিরে বউ আমার,
একান্ত আহার।